• Fri. Mar 27th, 2026

দৈনিক পাবনার আলো, মাহফুজ আলী কাদেরী কর্তৃক সম্পাদিত

#pabnaralo#, pabna# pabnanews# পাবনারআলো# পাবনার_আলো#পাবনারখবর#পাবনারবার্তা

চাটমোহর থানার এএসআই প্রবাসীর স্ত্রীসহ উধাও, এলাকায় তোলপাড়”


বিশেষ প্রতিবেদক
সৌদি প্রবাসীর স্ত্রীকে নিয়ে গত ১৩ই আগস্ট বুধবার উধাও হয়ে গেছে চাটমোহর থানার এএসআই শাকিল আহমেদ। ঘটনাটি চাটমোহরে বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

এএসআই শাকিল সিরাজগঞ্জ জেলার শাহজাদপুর উপজেলার বাসিন্দা ও চাটমোহর থানায় কর্মরত। অপরদিকে প্রবাসীর স্ত্রী মাসুরা খাতুনের বাড়ি নোয়াখালী জেলার চাটখিল উপজেলায়। সে গুনাইঘাছা ইউনিয়নের রামচন্দ্রপুর গ্রামের সাবেক সেনা সদস্য বজলুল হকের ছেলে প্রবাসী শহীদের স্ত্রী।

প্রবাসীর পরিবার ও এ এস আই শাকিল এর পরিবারের সাথে যোগাযোগ করে জানা যায়, প্রবাসীর স্ত্রী মাসুরা খাতুন প্রেমের সম্পর্ক গড়ে চাটখিলে একটি বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। সেই ঘরে তার একটি সন্তান আছে। বিয়ের কিছুদিন পরে বনি বনা না হওয়ায় সেই সংসার ছেড়ে ঢাকাতে অবস্থান নেন মাসুরা। সেখানে চাটমোহর উপজেলার রামচন্দ্রপুর গ্রামের সাবেক সেনা সদস্য বজলুল হকের ছেলে শহীদ চাকরির শোবাদের একই এলাকায় অবস্থান করছিলেন। পরে শহীদের সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিয়ের পরে মাসুরার বাবা শহীদ কে সৌদি আরবের কাজ করতে নিয়ে যায়। অপরদিকে আমি শহীদের পরিবারের সাথে বনি বনা না হওয়ায় চাটমোহর পৌর সদরের চৌধুরীপাড়ায় দুই সন্তান নিয়ে ভাড়া বাসায় থাকতেন মাসুরা। অপরদিকে এএসআই শাকিল আহমেদের প্রথম স্ত্রীর একটি সন্তান হওয়ার পরে তাদের ছাড়াছাড়ি হয়ে যায়। পরে পুলিশে চাকরিরত আরেক পুলিশ কনস্টেবল এর সাথে বিয়ে হয় এএসআই শাকিলের। সেই সংসারে দুটো সন্তান আছে।
প্রায় ছয় মাস আগে চাটমোহর থানায় পোস্টিং হলে থানার পেছনে চৌধুরীপাড়ায় বসবাসরত মাসুরার সাথে সাক্ষ্যতা গড়ে ওঠে শাকিলের। সেই সুবাদেই শাকিলের নিয়মিত যাতায়াত ছিল মাসুরার বাড়িতে। পরে সকল বাধা বিপত্তি উপেক্ষা করে শাকিল মাসুরা কে নিয়ে ১৪ই আগস্ট বৃহস্পতিবার আত্মগোপনে চলে যায়। উভয় পরিবার অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তাদের কোন হদিস মেনে নি।

বিষয়টি নিয়ে চাটমোহর পৌর সদরসহ বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক গুঞ্জনের সৃষ্টি হয়েছে। একই সাথে চাটমোহর থানায় ওপেন হাউজ ডে অনুষ্ঠান চলাকালীন এই থানায় কর্মরত এএসআই শাকিলের কর্তব্যরত অবস্থায় এহেন কর্মকান্ডকে ভালোভাবে নিতে পারছে না সাধারণ মানুষ। শাকিলের বিরুদ্ধে আইননুগ ব্যবস্থাও গ্রহণের অনুরোধ জানান সুধী সমাজ। তারা বলেন সমাজের এইরূপ অবক্ষয়ে প্রশাসনের কর্মকর্তার সরাসরি জড়িত থাকার ঘটনাটি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। প্রতিষ্ঠানের শৃঙ্খলা ফেরাতে ও হীন মন-মানসিকতার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের শাস্তির আওতায় এনে পুলিশ বাহিনীকে জনগণের বন্ধু বানাতে হবে। এছাড়া মাসুরা খাতুনের ও শাস্তির দাবি জানায় শহীদের পরিবার।

এ ব্যাপারে এ এস আই শাকিল আহমেদ এর সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তার মোবাইল ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।

এ ব্যাপারে এ এস আই শাকিলের পরিবারের সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা জানান, আমরা ঘটনাটি জেনেছি। তবে শাকিল বাসায় আসেনি।

এ ব্যাপারে সিনিয়র এএসপি (সার্কেল চাটমোহর) আঞ্জুমা আক্তার জানান, ঘটনাটি আমরা জানতে পেরেছি। এএসআই শাকিল এর বিরুদ্ধে তদন্ত শেষে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Parapash
ChatGPT said:
১৫ আগস্ট ২০২৫, শুক্রবার
প্রবাসীর স্ত্রী নিয়ে উধাও চাটমোহর থানার এএসআই

বিশেষ প্রতিবেদক
গত ১৩ আগস্ট বুধবার সৌদি প্রবাসীর স্ত্রীকে নিয়ে নিখোঁজ হয়েছেন চাটমোহর থানার এএসআই শাকিল আহমেদ। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।

শাকিল আহমেদ সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার বাসিন্দা ও বর্তমানে চাটমোহর থানায় কর্মরত। প্রবাসীর স্ত্রী মাসুরা খাতুনের বাড়ি নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলায়। তিনি গুনাইঘাছা ইউনিয়নের রামচন্দ্রপুর গ্রামের প্রবাসী শহীদের স্ত্রী।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, মাসুরা খাতুন প্রথমে চাটখিলে এক ব্যক্তিকে বিয়ে করেন এবং তাদের একটি সন্তান হয়। পরবর্তীতে দাম্পত্য কলহের কারণে তিনি ঢাকায় চলে আসেন। সেখানে শহীদের সঙ্গে পরিচয় ও প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে এবং পরে বিয়ে হয়। বিয়ের পর শহীদ তার শ্বশুরের সহযোগিতায় সৌদি আরব চলে যান। তবে শহীদের পরিবারের সঙ্গে বনিবনা না হওয়ায় মাসুরা চাটমোহর পৌরসদরের চৌধুরীপাড়ায় দুই সন্তান নিয়ে ভাড়া বাসায় থাকছিলেন।

অন্যদিকে, শাকিল আহমেদের প্রথম স্ত্রীকে তালাক দেওয়ার পর আরেক নারী পুলিশ কনস্টেবলকে বিয়ে করেন এবং তাদের সংসারে দুটি সন্তান রয়েছে। প্রায় ছয় মাস আগে চাটমোহর থানায় যোগদানের পর চৌধুরীপাড়ায় মাসুরার সঙ্গে শাকিলের পরিচয় হয় এবং নিয়মিত যাতায়াত শুরু হয়। শেষ পর্যন্ত সকল বাধা উপেক্ষা করে গত ১৪ আগস্ট বৃহস্পতিবার তারা আত্মগোপনে চলে যান। উভয় পরিবার বহু চেষ্টা করেও তাদের খুঁজে পায়নি।

এ ঘটনায় চাটমোহর পৌর এলাকা জুড়ে গুঞ্জন শুরু হয়েছে। বিশেষ করে থানায় ওপেন হাউজ ডে চলাকালীন কর্তব্যরত এএসআই-এর এমন কর্মকাণ্ডে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা। সুধী সমাজ শাকিলের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে। তারা বলেন, প্রশাসনের কর্মকর্তা সরাসরি এমন অনৈতিক ঘটনায় জড়িত হওয়া গ্রহণযোগ্য নয়; শৃঙ্খলা রক্ষায় এ ধরনের ব্যক্তিদের শাস্তির আওতায় আনতে হবে। শহীদের পরিবারও মাসুরা খাতুনের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা দাবি করেছে।

এএসআই শাকিলের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। পরিবারের সদস্যরা জানান, তারা ঘটনাটি জেনেছেন, তবে শাকিল বাড়ি ফেরেনি।

সিনিয়র এএসপি (সার্কেল চাটমোহর) আঞ্জুমা আক্তার বলেন, বিষয়টি আমরা জেনেছি। তদন্ত শেষে শাকিলের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *