
অনন্য সমাজ কল্যান সংস্থা থেকে মরহুম আজিমউদ্দিনের দায় দেনা সম্পূর্ন পরিশোধ করার পরেও এই বিষয়টি নিয়ে মিথ্যা ভাবে অপপ্রচার করে এস এম আদনান উদ্দীন কোনরকম প্রমান ছাড়াই প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠা প্রাক্তন চেয়ারম্যান মাহফুজ আলী কাদেরীর কাছ থেকে প্রতিনিয়ত অন্যায়ভাবে জোরপূর্বক অর্থ দাবী করে আসছে, যে বিষয়টির তীব্র প্রতিবাদ এবং আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য প্রতিষ্ঠান কর্তৃক ইতিমধ্যে পাবনা জেলা পুলিশ সুপার, এবং পাবনা জেলা প্রশাসকের নিকট সকল

প্রাতিষ্ঠানিক দালীলিক প্রমানসহ আবেদন জমা দেওয়া হয়েছে। মুলত, মরহুম আজিমউদ্দিনসহ যে চারজন ব্যাক্তি ২৮/৭/২০১৪ তে দুর্ঘটনায় মৃত্যবরন করেছিল,ওই সময়ে এই চার পরিবারকে মোটা অংকের আর্থিক সহযোগিতা প্রদান করা হয়। এখানে উল্লেখ্য, মরহুম আজিমউদ্দিন প্রতিষ্ঠানে একজন মাঠ পযার্য়ের স্টাফ হিসেবে ১৯৯৮ সাল থেকে বিভিন্ন প্রকল্পে কাজ করতেন, তারপরে এএসকেএস এনএসডিপি এবং USAID প্রকল্পে ২০০০ সাল এবং ২০০২-২০০৩ সাল পযন্ত সিনিয়র সার্ভিস প্রমোটর (বেতন ৪১২৫ টাকা) এবং সার্ভিস প্রমোশন অফিসার (৪২০০ বেতন টাকা) হিসেবে প্রকল্প ভিত্তিক মাঠ পযার্য়ের কাজ করতেন। এর পরে প্রকল্প শেষে ০১.১০.২০০৩ সাল হতে ২৮/০৭/২০১৪ পযন্ত অনন্য সমাজ কল্যান সংস্থায় সরাসরি কার্যক্রমে যুক্ত হয়ে ৪২০০ টাকা বেতনভুক্ত মাঠপযার্য়ের কর্মচারী থেকে বিভিন্ন সময়ে প্রতিষ্ঠান কর্তৃক পদ পদবীতে উন্নীত হয়ে সর্বশেষ প্রতিষ্ঠানের সহকারী পরিচালক পদে নিযুক্ত ছিলেন তখন তার সর্বশেষ বেতন ছিল ২৭১৪০ টাকা । মরহুম আজিমউদ্দিনের যোগদানকালীন সময়ে প্রতিষ্ঠান কর্তৃক গ্রাচুইটি দেবার কোন নিয়ম ছিলনা

এবং তাহার যোগদান পত্র অনুযায়ী পরিস্কার ভাবে প্রভিডেন্ট ফান্ডের কথা উল্লেখ থাকলেও কোনরকম গ্রাচুইটি দেবার কথা উল্লেখ নেই কারন ওনার চাকুরীকালীন সময়ে গ্রাচুইটি দেবার নিয়ম প্রতিষ্ঠানে ছিল না। উল্লেখ্য যে, আর্থিক প্রতিষ্ঠান নিয়মের বাইরে গিয়ে কখনই কোন দালীলিক প্রমান ছাড়া শর্তহীনভাবে কাউকে গ্রাচুইটি দিতে পারেনা, এটা সম্পুর্ন বেআইনী এবং যারা প্রতিষ্ঠানের নিয়ম আর কোন রকম কাগজপত্রের প্রমান ছাড়াই প্রতিষ্ঠান থেকে কোন কিছু মৌখিক ভিত্তিতে দাবী করবে তাড়াও আইনের কাছে অপরাধী হিসেবে গন্য হবে। উল্লেখ্য, মরহুম আজিমউদ্দিন তার চাকুরীকালীন সময়ে প্রতিষ্ঠান কর্তৃক তাহার প্রভিডেন্ট ফান্ড হতে ৯০০০০ টাকা লোন নিয়েছিলেন, সেই টাকার অবশিষ্ট অপরিশোধিত টাকা পরিশোধ মাফিক বাকী অবশিষ্ট পিএফ এর টাকা তার বড় সন্তান এস এম আদনানের আবেদনের ভিত্তিতে মরহুম আজিমউদ্দিনের স্ত্রী শাহানারা পারভীন এবং তার ছোট ছেলের হাতে প্রতিষ্ঠান কর্তৃক পিএফের পাওনা টাকা চেক( চেক নং 0478762) তুলে দেওয়া হয়। সুতরাং এই সমস্ত প্রক্রিয়াটি প্রতিষ্ঠানের দালীলিক প্রমানপত্র, নথী, ব্যাংক স্ট্রেটমেন্ট, মরহুম আজিমউদ্দিনের যোগদানপত্রের শর্ত মাফিক প্রতিষ্ঠানের নিয়মনীতি

মেনে সম্পুর্ন করা হয়েছে। এ সকল প্রমান প্রতিষ্ঠানের সংরক্ষিত রয়েছে যাহার কপি জেলা প্রশাসক এবং জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে আবেদন পত্রের সহিত সংযুক্তি হিসেবে দেওয়া হয়েছে।সুতরাং, মাহফুজ আলী কাদেরী সাথে মরহুম আজিমউদ্দিনের দায় দেনা প্রদানের কোন সম্পর্ক নেই কারন তিনি ২০১৫ সাল থেকে অনন্যর কোন প্রশাসনিক ও দাপ্তরিক কার্যক্রমের সাথে আইননত ভাবে সম্পর্কে যুক্ত নয়।
এতে প্রমানিত হয় যে, এস এম আদনান উদ্দীন তার মরহুম পিতার নামে কোন রকম দালিলিক প্রমান ছাড়াই সম্পুর্ন অসৎ ও দুরভিসন্ধিমূলক উদ্দেশ্যে বিভিন্ন প্রকার মিথ্যা অপপ্রচার করছে,এবং অন্যায় ভাবে টাকা দাবী করছে, যেটা চাঁদাবাজীর সামীল, ইতি মধ্যে এস এম আদনান উদ্দিনগং দের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি পদক্ষেপ গ্রহন করা হয়েছে। বিষয়টি সকলের সদয় অবগতি ও মিথ্যা অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য উপস্থাপন করা হলো।
অনন্য সমাজ সংস্থার পক্ষে
সিনিয়র প্রোগ্রাম অফিসার
আব্দুস সাত্তার শিপলু
