• Thu. Jun 4th, 2026

দৈনিক পাবনার আলো, মাহফুজ আলী কাদেরী কর্তৃক সম্পাদিত

#pabnaralo#, pabna# pabnanews# পাবনারআলো# পাবনার_আলো#পাবনারখবর#পাবনারবার্তা

প্রেমের সম্পর্কের জেরে নবম শ্রেণির ছাত্রী রিয়া খাতুন হত্যা: তিন আসামি গ্রেফতার, উদ্ধার মরদেহ পরিবহনকারী প্রাইভেটকার

ByFardin Zaman

Jun 3, 2026


স্টাফ রিপোর্টার, পাবনা:
পাবনা সদর উপজেলার ভাড়ারা ইউনিয়নের পূর্ব রাঘবপুর গ্রামের নবম শ্রেণির ছাত্রী রিয়া খাতুন (১৫) হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করেছে জেলা পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত মরদেহ পরিবহনকারী একটি সাদা রঙের প্রাইভেটকারও উদ্ধার করা হয়েছে।
নিহত রিয়া খাতুন পূর্ব রাঘবপুর গ্রামের মো. আজিজুল প্রামানিকের মেয়ে এবং স্থানীয় মাওলানা কাসিমুদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্রী।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, একই গ্রামের বাসিন্দা নাঈমের সঙ্গে রিয়ার দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, ঘটনার দিন সকাল ১১টার দিকে রিয়া নাঈমের বাড়িতে যায়। সেখানে উভয়ের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের একপর্যায়ে আর্থিক লেনদেন নিয়ে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। এক পর্যায়ে সেই বিরোধ তীব্র আকার ধারণ করলে নাঈম রিয়াকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে এবং পরে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে বলে প্রাথমিকভাবে স্বীকারোক্তিমূলক তথ্য পাওয়া গেছে।
হত্যাকাণ্ডের পর ঘটনাটি গোপন করতে নাঈম তার সহযোগী ইয়াসিন শেখ ও তুহিন প্রামানিকসহ অন্যদের ঘটনাস্থলে ডেকে আনে। পরে তারা একটি সাদা রঙের প্রাইভেটকারে করে মরদেহ পদ্মা নদীর তীরবর্তী এলাকায় ফেলে আসে বলে জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে।
ঘটনার খবর পাওয়ার পর পাবনা জেলা পুলিশ সুপার মো. ছুফি উল্লাহর নির্দেশনায় থানা পুলিশ, ডিবি ও ডিএসবির সমন্বয়ে বিশেষ টিম গঠন করা হয়। তথ্যপ্রযুক্তি, মানব গোয়েন্দা তথ্য এবং ধারাবাহিক অভিযানের মাধ্যমে অল্প সময়ের মধ্যেই ঘটনায় জড়িত নাঈম, তুহিন ও ইয়াসিনকে গ্রেফতার করা হয়।
পরবর্তীতে গ্রেফতারকৃতদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মরদেহ পরিবহনে ব্যবহৃত প্রাইভেটকারটি উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ, অন্য কোনো ব্যক্তি জড়িত রয়েছে কি না এবং ঘটনার বিস্তারিত রহস্য উদঘাটনে তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *