• Thu. Mar 26th, 2026

দৈনিক পাবনার আলো, মাহফুজ আলী কাদেরী কর্তৃক সম্পাদিত

#pabnaralo#, pabna# pabnanews# পাবনারআলো# পাবনার_আলো#পাবনারখবর#পাবনারবার্তা

প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত ফটোগ্রাফার খালেদ হোসেন পরাগকে সংবর্ধনা, পাবনায় উৎসবমুখর আয়োজন


মো : সিয়াম
জাতীয় পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পাওয়ার স্বীকৃতি হিসেবে পাবনায় সংবর্ধিত হলেন তরুণ আলোকচিত্রী খালেদ হোসেন পরাগ। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ব্যক্তিগত ফটোগ্রাফার হিসেবে নিয়োগ পাওয়ায় তাকে ঘিরে তৈরি হয় আনন্দঘন পরিবেশ। জাসাস পাবনা সদর ও পৌর শাখার যৌথ উদ্যোগে সোমবার সন্ধ্যায় শহরের বনমালী শিল্পকলা কেন্দ্র মিলনায়তনে এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানস্থলে শুরু থেকেই ছিল উৎসবের আবহ। ফুলেল শুভেচ্ছা, করতালি আর উচ্ছ্বাসে পরাগকে বরণ করে নেন দলীয় নেতাকর্মী, সাংবাদিক, সাংস্কৃতিক কর্মী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। তার এই অর্জনকে শুধু ব্যক্তিগত নয়, বরং জেলার জন্যও গর্বের বিষয় হিসেবে উল্লেখ করেন বক্তারা।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পাবনা জেলা বিএনপির আহবায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মাসুদ খন্দকার। তারা বলেন, পরাগের এই সাফল্য তরুণ প্রজন্মকে নতুন করে স্বপ্ন দেখতে অনুপ্রাণিত করবে এবং মেধা ও পরিশ্রমের মাধ্যমে বড় অর্জন সম্ভব—এটাই তার উদাহরণ।
সংবর্ধিত অতিথি খালেদ হোসেন পরাগ তার বক্তব্যে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, “এই সম্মান আমাকে আরও দায়িত্বশীল করে তুলেছে। আমি চেষ্টা করবো আমার কাজের মাধ্যমে দেশ ও মানুষের আস্থা ধরে রাখতে।” তিনি তার পথচলায় পাশে থাকা সবার প্রতি ধন্যবাদ জানান।
এছাড়াও অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন জেলা কৃষক দলের সভাপতি আবুল হাশেম, নাট্য ব্যক্তিত্ব ও গণমঞ্চ নাট্য সম্প্রদায়ের প্রতিষ্ঠাতা গণেশ দাস, জেলা শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল গফুর, ড্যাব পাবনা শাখার সাধারণ সম্পাদক ডা. আহমেদ মোস্তফা নোমান, জেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক বেগম মেহেরুন্নেসা শাহজাহান, জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান প্রিন্স এবং জেলা জাসাসের সদস্য সচিব আব্দুল মান্নান ভুইয়া।
সদর উপজেলা জাসাসের আহবায়ক ফিরোজ খন্দকারের সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব সাদমান সাকিবের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানটি সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন হয়। সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন আটঘরিয়া উপজেলা জাসাসের সদস্য সচিব এফ. এম. আবু জার।
সংবর্ধনা পর্ব শেষে অনুষ্ঠিত হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। সঙ্গীত, আবৃত্তি ও নৃত্যের পরিবেশনায় দর্শকরা মুগ্ধ হন। পুরো আয়োজনটি রূপ নেয় এক প্রাণবন্ত মিলনমেলায়, যেখানে জেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *