• Fri. Mar 27th, 2026

দৈনিক পাবনার আলো, মাহফুজ আলী কাদেরী কর্তৃক সম্পাদিত

#pabnaralo#, pabna# pabnanews# পাবনারআলো# পাবনার_আলো#পাবনারখবর#পাবনারবার্তা

চাঁদাবাজের আরেক নাম আওয়ামী দোসর রিপন!!

আটঘরিয়ার একদন্ত ইউনিয়নের ষাটগাছা গ্রামের মৃত, তুরাব আলীর ছেলে রিপন, বিভিন্ন সময় এলাকায় চাঁদাবাজি, অস্ত্র সাপ্লাই,মাদক বিক্রির সাথে জড়িত বলে জানা যায় ! এই অস্ত্র মামলার আসামি রিপন,সারাদিন এলাকায় তান্ডব চালিয়ে সন্ধ্যা লাগলেই ভর করে পাবনা শহরে ভাড়া বাসায়।

আরো অভিযোগ উঠেছে,ষাইটগাছা গ্রামের আব্দুল হাই এর মাধ্যমে রিপন কম্বোডিয়াতে যান। কম্বোডিয়াতে গিয়ে কনস্ট্রাকশন এর কষ্টের কাজ করতে না পেরে একই গ্রামের কম্বোডিয়াতে অবস্থানরত মেহেদীকে সাথে নিয়ে বাংলাদেশের চলে আসেন।এবং এসে একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করেন, যার মোকাদ্দমা নং-৭৭/২৪। মামলা দেয়ার পরেও পাবনা শহর থেকে গুন্ডা ভাড়া করে নিয়ে গিয়ে মামলার আসামি রফিকুল ইসলামের বাড়িতে চাদাবাজি করার উদ্দেশ্যে যায় এবং অস্ত্র সামনে জিম্বি করে রফিকুল ইসলামের কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা নেওয়াসহ প্রাণনাশের হুমকি দেয়,যার ভিডিও

সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছিল। কম্বোডিয়াতে অবস্থানরত একই গ্রামের শফিকুল ইসলাম,রুহুল আমিন খোকন,নওশের ইসলামসহ বেশ কিছু প্রবাসীরা জানান, কম্বোডিয়াতে কাজ করলে টাকা আছে কাজ না করলে টাকা নাই। কনস্ট্রাকশন এর কাজ অনেকেই করতে পারে অনেকেই পারে না,৪০ হাজার থেকে ৮০ হাজার টাকা পর্যন্ত বেতন তুলি আমরা প্রতি মাসে। রিপন, মেহেদী এবং রুবেল, ঠিকমত কাজ না করে শুধু মদ খেয়ে বেড়াতো,সাইডে থাকা সুপারভাইজারদের সাথে খারাপ আচরণ করতো।পরে মালয়েশিয়া যাওয়ার কথা বলে বাংলাদেশে চলে যায় । যাদের মাধ্যমে কম্বোডিয়াতে এসেছিল তাদের বিরুদ্ধে হয়রানি মূলক মিথ্যা মামলা দিয়েছে, আমরা সবাই খুব ভালো আছি এবং মাস গেলেই বাড়িতে টাকা পাঠাচ্ছি।

ষাইটগাছা গ্রামের এলাকাবাসী জানান,আমরা আগেই জানতাম, এই কয়েকজন বিদেশ যাইয়ে থাকতে পারবে না, বিদেশ সবাই করতে পারেনা। এখন এসে এলাকার নেতাদের লিয়ে টাকা তোলার জন্য নাটক সাজাইছে। ওদের সাথে আরো মানুষ গেছে একসাথেই কাজ করতো, তারা তো ঠিকই টাকা পাঠাচ্ছে। এলাকাবাসী এই মিথ্যা মামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে।

একদন্ত ইউনিয়নে যাত্রাপুর এলাকার বাসিন্দারা জানান, রিপনের বাবা তুরাব আলী,নকশাল ছিলেন, এলাকায় চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসের রাজ্য কায়েম করতো। বিভিন্ন সময়ে মানুষকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করতো তাই আমরা এলাকাবাসী মিলে তুরাব আলী কে এলাকা থেকে বের করে দেয়। পরে তুরাব আলী তার শ্বশুরবাড়ি এলাকায় বাড়ি করে থাকেন। তুরাব আলীর ছেলে রিপন ও তুরাব আলীর মতোই সন্ত্রাসী হয়েছে। এখন ষাইটগাছা গ্রামের মানুষদের হয়রানি করে যাচ্ছে। রিপন অস্ত্রসহ পুলিশের হাতে ধরা খেয়ে জেল/হাজরত ও খেটেছে।

মামলার আসামি রফিকুল ইসলাম জানান,রিপন বিদেশ যাওয়ার বিষয়ে আমি এবং আমার ভাতিজা সিয়াম কিছু জানিও না কিন্তু আমাদের নামে হয়রানিমূলক মিথ্যা মামলা দিয়েছে। এবং প্রতিনিয়ত প্রান নাশের হুমকি দিয়ে যাচ্ছেন। আরো জানা যায়, মিথ্যে প্রতিবেদনের জন্য থানায় টাকা দিচ্ছে বলে জানা যায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *