ডারউইন টেস্টে দুর্দান্ত বোলিং নৈপুণ্যে অস্ট্রেলিয়াকে কোণঠাসা করে ফেলেছে বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসে দ্রুত তিন উইকেট হারিয়ে স্বাগতিকরা যখন বিপাকে পড়েছিল, তখন স্টিভেন স্মিথ ও অ্যালেক্স ক্যারি কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন। তবে লাঞ্চের পর সেই জুটি ভেঙে বাংলাদেশের পেসাররা আবারও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে তুলে নিয়েছেন। ৩৯ ওভার শেষে অস্ট্রেলিয়ার সংগ্রহ দাঁড়িয়েছে ৬ উইকেটে ১৫৪ রান।
ইনিংসের ১২তম ওভারে হাসান মাহমুদ প্রথম সাফল্য এনে দেন। তিনি ওপেনার জেক ওয়েদারাল্ডকে ২৩ রানে সাজঘরে ফেরান। দুই ওভার পর হাসান আবারও আঘাত হানেন, এবার তার শিকার হন ২২ রান করা ট্রাভিস হেড। এরপর এবাদত হোসেনের বলে স্লিপে নাজমুল হোসেন শান্তর হাতে ক্যাচ দিয়ে মাত্র ১ রান করে বিদায় নেন মার্নাস লাবুশেন। এর মাঝে অবশ্য স্টিভেন স্মিথ একবার জীবন পেয়েছিলেন, যখন এবাদতের বলে তৃতীয় স্লিপে তানজিদ হাসান তামিম ক্যাচ নিতে ব্যর্থ হন।
লাঞ্চের আগে ৪ উইকেটে ৭৪ রান সংগ্রহ করা অস্ট্রেলিয়া বিরতির পর স্মিথ ও ক্যারির ব্যাটে কিছুটা স্বস্তি খুঁজে পেয়েছিল। তবে ৩৭তম ওভারের প্রথম বলে এবাদত হোসেন ক্যারিকে ফিরিয়ে ৫৫ রানের এই জুটি ভেঙে দেন। অফ স্টাম্পের বাইরের বলটি পাঞ্চ করতে গিয়ে ব্যাটের ভেতরের কানায় লেগে স্টাম্পে আঘাত করলে ১৯ রানে বিদায় নেন ক্যারি। এরপর তাসকিন আহমেদের করা ৩৯তম ওভারের তৃতীয় বলে সরাসরি বোল্ড হয়ে সাজঘরে ফেরেন ১০ বলে ১২ রান করা বো ওয়েবস্টার।
অস্ট্রেলিয়ার বিপদ আরও বাড়িয়ে দেন ক্যামেরন গ্রিন। তাসকিনের ওভারের শুরুতে একটি ছক্কা হাঁকালেও শেষ বলে শর্ট মিডউইকেটে মুশফিকুর রহিমের হাতে ক্যাচ দিয়ে বিদায় নেন তিনি। ১৩ বলে ১৩ রান করেন গ্রিন। নতুন বল হাতে তাসকিন ও হাসান মাহমুদের সুইং এবং বাউন্স সামলাতে শুরু থেকেই হিমশিম খাচ্ছেন অজি ব্যাটাররা। সব মিলিয়ে বাংলাদেশের পেসারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ডারউইনে বেশ চাপে রয়েছে স্বাগতিকরা।
১৯ রান করা এই ব্যাটারের বিদায়ে ভাঙে ৫৫ রানের জুটি।
এরপর খুব বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি বো ওয়েবস্টারও।





আপনার কমেন্ট লিখুন