ছাত্রদলের নতুন কমিটির অপেক্ষায় পদপ্রত্যাশীরা

প্রকাশিত: 12 August 2026, 9:57:36 AM

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে শেষ হয়েছে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির মেয়াদ। সে সময় থেকেই আলোচনায় রয়েছে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের বিষয়টি। ছাত্রদলের প্রায় সব ইউনিটের কাজ ইতোমধ্যে শেষ করে নতুন কমিটির প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছেন বলে জানিয়েছেন নেতারা। সেই সঙ্গে সংগঠন সম্প্রসারণের কাজও করেছেন তারা।

আসন্ন নতুন কমিটিকে সামনে রেখে নিজ নিজ বলয়ে ধরনা দেওয়ার পাশাপাশি বিএনপির হাইকমান্ডকে খুশি রাখার চেষ্টা করছেন পদপ্রত্যাশীরা। তবে কমিটির বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন ছাত্রদলের সাংগঠনিক অভিভাবক, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

২০২৪ সালের ১ মার্চ ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির দায়িত্বভার পান বর্তমান সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব এবং সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির। সে হিসাবে চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি কমিটির মেয়াদ শেষ হয়েছে। ছাত্রদলের খসড়া গঠনতন্ত্র অনুযায়ী নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়া এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ছাত্রদলের নতুন কমিটি এখন প্রধানমন্ত্রীর টেবিলে রয়েছে। যেকোনো দিন আসতে পারে নতুন কমিটির ঘোষণা। এর মধ্য দিয়ে শেষ হতে পারে ছাত্রদলের ইতিহাসে বর্তমান কমিটির দায়িত্বকাল। নতুন নেতৃত্বের অপেক্ষায় থাকা পদপ্রত্যাশীরা এখন সাংগঠনিক অভিভাবকের সিদ্ধান্তের দিকে তাকিয়ে আছেন।

কমিটির বিষয়ে ছাত্রদল সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব বলেন, ‘আমাদের কাজ প্রায় শেষ। ছাত্রদলের সাংগঠনিক অভিভাবক বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান যখন প্রয়োজন মনে করবেন, তখনই নতুন কমিটির ঘোষণা আসবে। আমরা তার সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছি।’

বিএনপি ও ছাত্রদলের একাধিক শীর্ষ নেতার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এবারের নেতৃত্ব নির্বাচনে বিভিন্ন সমীকরণ মাথায় রাখতে হচ্ছে প্রধানমন্ত্রীকে। বিশেষ করে ছাত্রদলের এই কমিটিতে বিগত আন্দোলন-সংগ্রামে রাজপথে ভূমিকা রাখা, হামলা-মামলার ভয় উপেক্ষা করে প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে ডেডিকেটেড এবং সর্বোপরি কর্মিবান্ধব, শিক্ষার্থীদের সুখ-দুংখে পাশে দাঁড়ানো, চিন্তা-চেতনা ও আউটলুকের দিক থেকে শিক্ষার্থীদের নেতা হিসেবে মানানসই ব্যক্তিদের প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রধানমন্ত্রীর মূল্যায়নের মাধ্যমে কমিটিতে কোনো চমক থাকছে, নাকি আগের মতোই সিন্ডিকেটের প্রভাব বলয়ের ভেতরে থাকা বিতর্কিতদের ঢুকে পড়ার সুযোগ থাকবে, সেটি এখন সময়ের অপেক্ষা। ২০১৯ সালে ছাত্রদলের সবশেষ যে কাউন্সিল হয়েছিল, সেখানে কাউন্সিলররাই দলের চেয়ারম্যানকে পূর্ণ এখতিয়ার দিয়েছেন।

সূত্র জানায়, ছাত্রদলের খসড়া গঠনতন্ত্রেও বয়সের বাধ্যবাধকতা নেই। অন্যদিকে দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক অচলাবস্থার কারণে সঠিক সময়ে কমিটি দিতে না পারায় নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রবাহ কিছুটা ব্যাহত হয়েছে। তবে এবার সেই ধারা পুনরুদ্ধারে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

সাবেক ছাত্রদল ও বর্তমান বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির একাধিক সূত্রে জানা গেছে, এবারের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক নির্বাচনের বিভিন্ন সমীকরণের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ একটি পূর্ববর্তী ব্যাচের ধারাবাহিকতা রক্ষা। সে হিসাবে বর্তমান কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের (যথাক্রমে ২০০৬-০৭ ও ২০০৭-০৮) ব্যাচের ঠিক পরের ২০০৮-০৯ থেকে শুরু করে পরের ব্যাচগুলো থেকে নতুন শীর্ষ নেতৃত্ব আনার সিদ্ধান্ত হতে পারে।

এ বিষয়ে ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির বলেন, ‘হাতেগোনা কয়েকটি বাদে প্রায় সবগুলো কমিটি দিয়েছি আমরা। আমাদের মেয়াদে ২,১০০-এর মতো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কমিটি করা হয়েছে। দেশের এক হাজারের বেশি নতুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্রদলের কমিটি দিয়ে একটি সাংগঠনিক স্ট্রাকচার দাঁড় করানো হয়েছে।’

নাছির আরও বলেন, ‘আমাদের আপ্রাণ চেষ্টা ছিল এবং আমরা এটা করতে সক্ষম হয়েছি। বাকি থাকা কমিটিগুলোর কাজ শেষ হয়েছে দলের কাছে জমা দেওয়ার জন্য। সামনে দলের কোনো দায়িত্বে যাওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, না, এরকম স্পেসিফিক কোনো ইচ্ছা নেই।’

ছাত্রদলের বর্তমান সভাপতি-সেক্রেটারির ঠিক পরের ব্যাচ ২০০৮-০৯ শিক্ষাবর্ষ। এখানে যারা আলোচনায় রয়েছেন, তাদের মধ্যে ছাত্রদলের দুঃসময়ের পরীক্ষিত মুখ ও বর্তমান কমিটির নেতারা রয়েছেন। একই ব্যাচ থেকে শীর্ষপদের দৌড়ে যারা এগিয়ে রয়েছেন, তাদের মধ্যে মনজুরুল আলম রিয়াদ, এবিএম ইজাজুল কবির রুয়েল ও সাফি ইসলাম অন্যতম। এর মধ্যে রিয়াদ বর্তমান কমিটির সহসভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

২০০৯-১০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের মধ্যে আলোচনায় রয়েছেন বর্তমান কমিটির ১ নম্বর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মমিনুল ইসলাম জিসান, ২ নম্বর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফারুক হোসেন। জিসান বলেন, ‘নিজেদের সীমিত সাধ্যের মধ্যে দল ও নেতাকর্মীদের প্রয়োজনে পাশে দাঁড়িয়েছি। তবে দলের সিদ্ধান্তই আমাদের কাছে চূড়ান্ত।’ ফারুক হোসেন ক্লিন ইমেজ, সর্বোচ্চসংখ্যক অনুসারীর নেতৃত্ব দেওয়া এবং দক্ষ সংগঠক হিসেবে পরিচিত।

বর্তমান সাংগঠনিক সম্পাদক আমান ঢাবি ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদকসহ বিশ্ববিদ্যালয় ও হল কমিটির শীর্ষপদে দায়িত্ব পালন করেছেন। ফ্যাসিবাদের দুঃশাসনের সময় নিপীড়িত এবং দল ও শিক্ষার্থীদের পাশে থাকা নেতাদের মধ্যে তিনি অন্যতম। এছাড়া শীর্ষপদের দাবিদার ২০১৯ সালে ডাকসুতে ছাত্রদলের ভিপি প্রার্থী মোস্তাফিজ। ফ্যাসিবাদী আমলে রাজপথের হামলা-মামলায় তিনিও নির্যাতিত ছিলেন।

২০১০-১১ শিক্ষাবর্ষ থেকে কেন্দ্রীয় সংসদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তরিকুল ইসলাম তারিক, ঢাবি শাখার সভাপতি গণেশ চন্দ্র সাহা, সিনিয়র সহসভাপতি মাসুম বিল্লাহ মাসুম ও সহসভাপতি আলোচনায় রয়েছেন। এদের মধ্যে তারিক বিগত ফ্যাসিবাদী আমলে একাধিকবার গুলিবিদ্ধ হওয়াসহ হামলা, মামলা, গ্রেপ্তারের শিকার হন। মৃত্যুর কোল থেকে ফিরে আসা তারিক আওয়ামী আমলেও ঢাবি ক্যাম্পাসে সক্রিয় ছিলেন।

জুলাই বিপ্লবে রাজপথে প্রথম সারির ছাত্রদল নেতাদের মধ্যে ছিলেন উজ্জ্বল। মেধাবী, কর্মঠ, কর্মী সংগ্রহে দক্ষতা ও অ্যাথলেট হিসেবে সুপরিচিতি তাকে শিক্ষার্থীদের আরও কাছাকাছি নিয়ে গেছে। সর্বোপরি ক্লিন ইমেজ ও দলের প্রতি নিষ্ঠা থেকে বিএনপি চেয়ারম্যানের নিরাপত্তার দায়িত্বও পালন করেছেন তারিক। দলের শীর্ষ নেতৃত্বের কাছ থেকে আসা দায়িত্ব নিষ্ঠার সঙ্গে পালনের নজির রয়েছে তাদের।

আনিসুর রহমান অনিক ২০১৯ সালের ডাকসু নির্বাচনে ছাত্রদল মনোনীত সাধারণ সম্পাদক (জিএস) প্রার্থী ছিলেন। ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের রোষানলে পড়ে গুমের শিকার হওয়ার পাশাপাশি তিনি দীর্ঘ কারাবরণ করেছেন। এছাড়া জুলাই বিপ্লবসহ বিগত সময়ে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন-সংগ্রামে হামলা-মামলা, নিপীড়ন-নির্যাতনেও সংগঠনের কাছে আস্থার নাম ছিলেন সাহা ও মাসুমরা।

২০১১-১২ শিক্ষাবর্ষে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় রয়েছেন কেন্দ্রীয় সংসদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাজু আহামেদ, গাজী মো. সাদ্দাম হোসেন, সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক মিনহাজ আহমেদ। তাদের সাংগঠনিক দক্ষতা ও রাজপথের সক্রিয়তা নতুন কমিটিতে তাদের অবস্থানের সম্ভাবনাকে জোরালো করেছে। দলের হাইকমান্ড এখন চূড়ান্ত পর্যালোচনার মাধ্যমে নতুন নেতৃত্ব ঘোষণা করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

তখন থেকেই লবিং, তদবির ও সিনিয়র নেতাদের মন জোগাতে সময় দিচ্ছেন পদপ্রত্যাশী অনেকে।

বিশেষ করে ছাত্রদলের এই কমিটির ওপর সরকারি দল বিএনপির আগামী দিনের রাজপথের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার দক্ষতা ও সাহসিকতার বিষয়টি অনেকাংশে নির্ভর করছে।

এ কারণে সংগঠনের মধ্যে এক ধরনের নেতৃত্বজট তৈরি হয়েছে।

এটি ক্রমান্বয়ে কমিয়ে আনার পাশাপাশি একটি বড় অংশের নেতাদের ঝরে পড়া রোধ করতে ব্যাচের ধারাবাহিকতা অনুযায়ী পরবর্তী নেতৃত্ব যেমন জরুরি, তেমনি আগামী দিনগুলোয় ধারাবাহিকভাবে ও নির্দিষ্ট সময়ে কমিটি ঘোষণার বিষয়টি হাইকমান্ডকে মাথায় রাখতে হবে।

অতীতের ত্যাগ-সংগ্রাম ও রাজপথের নেতৃত্ব বিবেচনায় রেখে এবং আগামীর চ্যালেঞ্জ ও দলীয় শৃঙ্খলা অটুট রাখতে এবারও ছাত্রদলের শীর্ষ দুই পদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) থেকে আসার সম্ভাবনা দেখছেন সাবেক-বর্তমান নেতারা।

এর মধ্যে ২০১৮ সালের ১৯ জানুয়ারি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে গেলে পুলিশের হামলায় তার ডান পা ভেঙে যায়।

তিনি ১৭ বার নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের হামলার শিকার হন।

জিসান জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দেশনেত্রী খালেদা জিয়া, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং জাতীয় নেতাদের নিয়ে আওয়ামী লীগের ‘‌বি টিম’ হিসেবে পরিচিত মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের কুরুচিপূর্ণ ব্যানার পুলিশি প্রহরা উপেক্ষা করে ঢাবি থেকে অপসারণ করেন।

কর্মিবান্ধব হওয়ার কারণে ছাত্ররাজনীতিতে তার অবস্থান ভালো বলে মনে করেন সংগঠনটির নেতাকর্মী ও সমর্থকরা।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে কারফিউ ভেঙে হওয়া প্রথম মিছিলের অগ্রভাগে ছিলেন তিনি।

হামলায় তার হাত ভেঙে যায়, যা নিয়ে এখনো ভোগান্তি পোহাচ্ছেন।

২০২৩ সালের ২৮ অক্টোবর নয়াপল্টনে বিএনপির সমাবেশে পুলিশ কনস্টেবল আমিরুল হত্যা মামলার প্রধান আসামি হিসেবে ১৯ দিনের টানা রিমান্ডে অমানবিক নির্যাতনের শিকার হন তিনি, যা ওই সময় দেশি-বিদেশি মিডিয়ার খবরে পরিণত হয়।

এছাড়া বিপদ-আপদে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর কারণে অসহায় শিক্ষার্থীদের অনেকের কাছেই ভরসার আশ্রয়স্থল হয়ে উঠেছেন তিনি।

রাজনীতিকে ভালোবেসে সরকারি চাকরির পরিবর্তে রাজপথে থেকে দলের জন্য কাজ করে যাওয়াটা তৃপ্তির মনে করেন তারিক।

একজন কর্মিবান্ধব ব্যক্তিত্বের পাশাপাশি ক্ষুরধার বক্তব্য এবং বুদ্ধিবৃত্তিক রাজনৈতিক চিন্তা তাকে জনপ্রিয় করে তুলেছে শিক্ষার্থীদর মধ্যে।

একাধিকবার কারাবরণ এবং শারীরিক নির্যাতনের শিকার হওয়া রাজু প্রতিকূল সময়েও মাঠ ছেড়ে যাননি।

এছাড়া ২০১২-১৩‌ সেশনের নূর আলম ভূঁইয়া ইমন আলোচনায় রয়েছেন।

অন্যদিকে সিনিয়রদের মধ্য থেকে (২০০৭-০৮ সেশন) সভাপতি পদে আলোচনায় রয়েছেন বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাছির এবং সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শ্যামল মালুম।

ঢাবি থেকে আরো আলোচনায় রয়েছেন কেন্দ্রীয় সংসদের প্রচার সম্পাদক শরীফ প্রধান শুভ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জা‌হিদ হাসান শা‌কিল এবং ইব্রাহীম খলিল।

তবে আগামী কমিটিতে নিজের থাকার সম্ভাবনার বিষয়ে ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির বলেন, ‘না, আমি চাইও না।

আমি নিজে আসলে চাই নতুন সাংগঠনিক কাঠামো দাঁড়াবে, আমরা দায়িত্ব শেষ করব ইনশাল্লাহ।’

তাই সি‌ন্ডি‌কে‌টের বাইরে গি‌য়ে এবার বিএন‌পি চেয়ারম্যান দক্ষ নেতৃত্ব নির্বাচ‌নে গুরুত্ব দে‌বেন।

এদিকে, ঢাবির বাইরে কয়েকজন সম্ভাব্য প্রার্থী আলোচনায় আছেন।

তৌহিদুর রহমান আউয়াল, কাজী জিয়াউদ্দিন বাসেত এবং বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি আবু হোরায়রা ও সাধারণ সম্পাদক এম রাজীবুল ইসলাম তালুকদার বিন্দু।

২০১৫ সালে অবরোধের সময় গুলিবিদ্ধ হন।

পুলিশ মৃত ভেবে চারতলা ভবন থেকে তাকে নিচে ফেলে দেয়।

এরপর ১০ মাস হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

এছাড়া ২০২৩ সালে দুদিন গুম রেখে অস্ত্র মামলায় তাকে কোর্টে চালান দেয় পুলিশ।

এর মধ্যে মেয়াদোত্তীর্ণ জেলা ও মহানগরের প্রায় সব কমিটি করা হয়েছে।

দল যখনই বলবে, তখনই আমরা সেগুলো পেশ করতে পারব।

পরে যিনি দায়িত্বে আসবেন, তার কাজ হলো সেগুলো করা।

দল যেখানে ভালো মনে করে সেখানে রাখবে।

সেক্ষেত্রে যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল বা মূল দলÑযেখানে মনে হয় দল আমাকে রাখবে, সেখানেই কাজ করব।’

আরও খবর

জনগণের দোরগোড়ায় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী: ঢাকা-১৩ আসনে নতুন উদ্যোগ জনগণের দোরগোড়ায় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী: ঢাকা-১৩ আসনে নতুন উদ্যোগ ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক: শেখ হাসিনার প্রভাব ও কূটনৈতিক চ্যালেঞ্জের নতুন সমীকরণ ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক: শেখ হাসিনার প্রভাব ও কূটনৈতিক চ্যালেঞ্জের নতুন সমীকরণ অনলাইন জুয়ার বিষাক্ত থাবা: পাবনা শহরের বিকাশ ডিস্ট্রিবিউশন হাউসের ‘বেনামী’ সিমে পাচার কোটি কোটি টাকা অনলাইন জুয়ার বিষাক্ত থাবা: পাবনা শহরের বিকাশ ডিস্ট্রিবিউশন হাউসের ‘বেনামী’ সিমে পাচার কোটি কোটি টাকা পাবনা জেলা যুবদল সদস্য কেরামত আলীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ পাবনা জেলা যুবদল সদস্য কেরামত আলীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ এনসিপি নেতাদের বক্তব্যের প্রতিবাদে পাবনায় বিএনপির প্রতিবাদ সমাবেশ এনসিপি নেতাদের বক্তব্যের প্রতিবাদে পাবনায় বিএনপির প্রতিবাদ সমাবেশ পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিলেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিলেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পাবনা-০৩ আসনে জামায়াতের এমপি  পদপ্রার্থীর নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা পাবনা-০৩ আসনে জামায়াতের এমপি  পদপ্রার্থীর নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা আরিফপুরে মহিলা সমাবেশে নারীদের ভাগ্যবদলে কাজ করার অঙ্গীকার শিমুল বিশ্বাসের আরিফপুরে মহিলা সমাবেশে নারীদের ভাগ্যবদলে কাজ করার অঙ্গীকার শিমুল বিশ্বাসের পাবনা-৩ আসনে বিএনপির ভাঙন প্রকট, বিদ্রোহী প্রার্থীর পক্ষে তৃণমূল পাবনা-৩ আসনে বিএনপির ভাঙন প্রকট, বিদ্রোহী প্রার্থীর পক্ষে তৃণমূল

আপনার কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published.