ভারতে আত্মগোপনে জাহাঙ্গীর কবির নানক: আনন্দবাজারকে দিলেন বিশেষ সাক্ষাৎকার

প্রকাশিত: 12 August 2026, 4:56:37 PM

জাহাঙ্গীর কবির নানক, যিনি তিনবারের সাবেক সংসদ সদস্য এবং দুবারের সাবেক মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন, বর্তমানে ভারতের মাটিতে আত্মগোপনে রয়েছেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে তিনি লোকচক্ষুর আড়ালে চলে যান। সম্প্রতি আনন্দবাজার পত্রিকার সঙ্গে এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি দলের বর্তমান পরিস্থিতি, অভ্যুত্থান এবং নিজের রাজনৈতিক জীবনের নানা অধ্যায় নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করেছেন। নানক জানান, রাজনীতি তাদের কাছে একটি পরিবারের মতো, আর সেই পরিবার যখন সংকটে থাকে, তখন ব্যক্তিগত ভালো-মন্দ গৌণ হয়ে পড়ে।

নিজের রাজনৈতিক সংগ্রামের কথা স্মরণ করে নানক বলেন, ১৯৬৯ সালে আইয়ুব বিরোধী আন্দোলনের সময় থেকেই তিনি রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। ১৯৭১ সালে তিনি ভারতে এসে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন এবং পাকিস্তানি পাঞ্জাবি বাহিনীর বিরুদ্ধে সরাসরি সম্মুখ যুদ্ধে অংশ নেন। তিনি আক্ষেপ করে বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার মাধ্যমে যে অশুভ শক্তির উত্থান ঘটেছিল, তখন থেকেই তাদের মতো অনেককে আত্মগোপনে জীবন কাটাতে হয়েছে। ৫ আগস্টের ঘটনাপ্রবাহকে তিনি অত্যন্ত বেদনাদায়ক হিসেবে উল্লেখ করেন। একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য যেভাবে অপমানজনকভাবে ভেঙে ফেলা হয়েছে এবং ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের বাড়িটি বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, তা মেনে নেওয়া কঠিন। তার মতে, যারা ৫ আগস্ট ক্ষমতা দখল করেছে, তারা মূলত বাংলাদেশবিরোধী এবং স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি।

সাক্ষাৎকারে নানক জানান, ৪ আগস্ট দিবাগত রাত সাড়ে ১২টা পর্যন্ত তিনি গণভবনে অবস্থান করেছিলেন। এরপর ৫ আগস্ট তিনি সেখান থেকে বেরিয়ে যান। নিজের বিরুদ্ধে ওঠা ৯ জন হত্যার অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তার কাছে মামলার নথিপত্র রয়েছে এবং কোথাও কোনো সাক্ষী তাকে সরাসরি জড়িত থাকার কথা বলেননি। তিনি দাবি করেন, যদি আইন ও আদালত নিরপেক্ষভাবে কাজ করে, তবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা কোনো হত্যা মামলা বা আইসিটি মামলার কোনো ভিত্তি থাকবে না। তার মতে, এসব মামলার কোনো অস্তিত্বই টিকবে না।

দীর্ঘ রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে নানা চড়াই-উতরাই পার করা নানক বর্তমান পরিস্থিতিতে দলের ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদী। তিনি মনে করেন, আওয়ামী লীগের মতো একটি ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক দলের অস্তিত্ব মুছে ফেলা সম্ভব নয়। যদিও বর্তমানে দলটির কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে, তবুও তিনি বিশ্বাস করেন যে, সময়ের পরিক্রমায় রাজনীতির গতিপথ পরিবর্তিত হবে। তিনি তার সাক্ষাৎকারে বারবার জোর দিয়ে বলেছেন যে, বর্তমান সরকার যে অভিযোগগুলো তাদের বিরুদ্ধে এনেছে, তা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং আইনি লড়াইয়ের মাধ্যমে তারা নির্দোষ প্রমাণিত হবেন।

পরিশেষে, নানক তার বর্তমান অবস্থান এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে খুব বেশি বিস্তারিত না বললেও, তিনি যে এখনো রাজনীতির মূল স্রোতে ফেরার স্বপ্ন দেখেন তা তার কথায় স্পষ্ট। তিনি মনে করেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে যারা আপসহীন, তারাই শেষ পর্যন্ত জয়ী হবে। ৫ আগস্টের পর থেকে যে পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে, তা সাময়িক বলে তিনি মনে করেন। তার এই সাক্ষাৎকারটি এমন এক সময়ে এলো যখন আওয়ামী লীগের শীর্ষ পর্যায়ের নেতারা একে একে আত্মগোপনে বা আইনি জটিলতায় রয়েছেন। নানকের এই বক্তব্য রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে, বিশেষ করে মামলার আইনি ভিত্তি নিয়ে তার চ্যালেঞ্জটি এখন বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সম্প্রতি তিনি আনন্দবাজারের মুখোমুখি হয়েছেন।

এই পরিবারটি যখন ভালো না থাকে, তখন আমরা কেউ ভালো থাকি না মানসিকভাবে।

নানক: অনেক আত্মগোপনের ইতিহাস আছে আমার।

আমি স্কুল জীবন থেকে রাজনীতি শুরু করেছি।

১৯৬৯ সালে আইয়ুব বিরোধী আন্দোলন থেকে।

১৯৭১ সালে ভারতে আসা, ট্রেনিং নেয়া।

অস্ত্র নিয়ে ভেতরে ঢোকা, মুজিব বাহিনীর সদস্য হিসেবে যুদ্ধ করা, দেশ স্বাধীন করা ইত্যাদি।

কিন্তু খুব বড় আত্মগোপনে আমাদেরকে যেতে হয়েছে যেমন— খালেদা জিয়ার শাসনামল, অর্থাৎ বিএনপি ও জামায়াতের শাসনামলে।

আমরা কাজ করেছি, সংগঠন করেছি, মিটিং করেছি।

বন্ধু ও পরিজন-পরিবার কাদের কথা সবচেয়ে বেশি মনে পড়ে আপনার?

নানক: সত্যি কথা বলতে কী—আমরা কর্মী পাগল মানুষ তো।

১৯৭১ সালে আমি একেবারে পাকিস্তানি পাঞ্জাবী বাহিনীর বিরুদ্ধে ফ্রন্ট ফাইট করেছি।

যা ঘটলো ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট থেকে আমাদের চোখের সামনে আমরা একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে দেখছি যে, বঙ্গবন্ধুর স্ট্যাচু কী অপমানজনকভাবে তারা ভেঙেচুরে চুরমার করেছে।

ধানমন্ডি ৩২-কে ভেঙে গুড়িয়ে দিল বুলডোজার দিয়ে।

তখন তো প্রশ্ন জাগেই, আমি বেঁচে ছিলাম কেন?

বেঁচে আছি কেন বা এই ঘটনা দেখার আগে কেন মৃত্যু হলো না!

তারস্বরে আমি চিৎকার করে বলতে পারি যে, এই ঘটনার আগে যদি আমার মৃত্যু হতো, তাহলে সেই মৃত্যু হতো আমার শান্তির মৃত্যু।

আমরা মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বের স্বাধীনতা এনেছি।

ওরা স্বাধীনতা যুদ্ধে পরাজিত হয়েছিল, সেই পরাজিত শক্তি প্রতিশোধ নিয়েছে।

মুক্তিযোদ্ধাদের গলায় জুতার মালা, পায়ের জুতা খুলে গালে পিটানো, এগুলো দেখতে হয়েছে আমাদেরকে।

গত দু’বছরে কোনো রাতে আমি ঘুমাতে পারিনি।

ভোরবেলা যে আজান দেয়, সেই ফজরের নামাজ পড়ার পরে একটু টায়ার্ড হয়ে শরীর যখন ছেড়ে দেয় তখন ঘুমাতে যাই।

আর আরেকটা মনে পড়ে—ছেলেটার কবরের কাছে যেতাম।

মা-বাবার কবরটার কাছে অনেকদিন যেতে পারি না।

এরা গণতন্ত্রবিরোধী, এরা মুক্তিযুদ্ধের পরাজিত শক্তি।

এরা পাকিস্তানের দালাল, পাকিস্তানপন্থী।

ওরা আবার এটাকে পাকিস্তান বানাতে চায়।

প্রশ্ন: আপনি কীভাবে প্রাণে বাঁচলেন, কীভাবে ভারতে এলেন, কারা আপনাকে সাহায্য করলেন?

আমি চলে আসলাম পরের দিন ফিফথ আগস্ট (৫ আগস্ট)।

আমি আসলে প্রায় একেবারে পড়েই গিয়েছিলাম আমার শোয়ার জায়গায়।

যখন আমার চৈতন্য উদয় হয়, তখন এক ক্লোজ রিলেশন এয়ারফোর্স, ও আমাকে ফোন করল।

তো বলল যে, চিন্তা করবেন না, উনি বর্ডার ক্রস করেছেন সেফলি।

তারপর তো একের পর শেল্টার চেঞ্জ করছি।

এরপরে একটি পর্যায়ে বুঝতে পারলাম যে, আমাকে এখন ধরার জন্য তারা মরিয়া হয়ে যাবে।

ডিসাইড করে ফেললাম—আই হ্যাভ টু লিভ দ্য কান্ট্রি।

আমার জামাই ডাক্তার, ফোন করল যে-বাবা আপনি বেরিয়ে যান।

আমি যেভাবে যেভাবে বলব সেভাবে বেরিয়ে যাবেন এবং সেই গাইডটা করেছে মূলত।

সে গাইডটা করে নিয়ে এসেছে, বের করে এনেছে।

কারণ ৫ আগস্ট তো—আর আমি ১৬ আগস্ট বর্ডার ক্রস করতেছি।

নানক: না না আমি তো ১৬ আগস্ট শিলংয়ে পৌঁছলাম।

বিকজ মালদাহতে আমার নাতি-নাতনি, মেয়েরা ওরা গিয়ে আশ্রয় নিয়েছে।

সেখান থেকে আমি পরের দিনে চলে আসলাম কলকাতায়।

প্রশ্ন: নেতাকর্মীদের বিপর্যয়ের মধ্যে ফেলে আসার কারণে অনেকেই শেখ হাসিনার সমালোচনা করেন।

আপনি একজন বর্ষীয়ান রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে এই সিদ্ধান্তকে কীভাবে দেখেন?

নানক: ৫ আগস্ট যদি ৩০ মিনিট দেরি করতেন, তাহলে আমাদের নেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং ওইদিন গণভবনে থাকা তার ছোট বোন শেখ রেহনাকে নির্মমভাবেই শুধু হত্যা করত না, নৃশংস নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করত।

আজকে বেঁচে আছেন বলেই আজ সারা বিশ্ব বিবেক, ১৮ কোটি মানুষের বিবেক মিলে কিন্তু বলছে যে, শেখ হাসিনা ছাড়া এই দেশ পরিচালনা মতো যোগ্য নেতৃত্ব আর দ্বিতীয় কেউ নেই।

প্রশ্ন: আচ্ছা ভারত সরকার কি আপনাকে কোনো নির্দিষ্ট রক্ষাকবজ দিয়েছে বা নির্দিষ্ট কোনো স্ট্যাটাস মানে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে চাপ এলে আপনার পদক্ষেপ কী হবে?

নানক: আমরা তো বিশ্বাস করি—যেকোনো চাপ বাংলাদেশের এই কচুপাতার পানির মতো যারা টলটলায়মান, সেই সরকারের কতখানি চাপ দেয়ার ক্ষমতা আছে?

এবং সে চাপ যতই যাই হোক না কেন—এটা সামাল দেয়ার ক্ষমতা ভারত সরকারের আছে।

প্রশ্ন: সরকার এবং দলের বিপর্যয়ের নেপথ্যে কী কী কারণ থাকতে পারে।

মানে যে ভুল আপনারা আর করবেন না, মানে আপনার মূল্যায়ন কি?

নানক: আমরা একটা গভীর ষড়যন্ত্রের, ডিপ স্টেট ষড়যন্ত্রের মধ্যে পড়ে গিয়েছিলাম।

প্রশ্ন: ১৬ বছর ক্ষমতায় থাকলেন পরপর টানা।

কিছুতেই বুঝতে পারলেন না যে কোথা থেকে এই লিকেজটা হলো?

নানক: না আমরা বুঝতে পারিনি—এ কথা আমি স্বীকার করবো না।

আমি যদি কিছুটা টের পেয়ে থাকি, তাহলে আমার নেত্রী—উনিও কিন্তু বুঝতে পেরেছিলেন।

উনি বুঝতে পেরেছিলেন বলেই কিন্তু ৬ মাস আগে থেকে বলা শুরু করেছেন যে, আমাকে ক্ষমতা থেকে নামানোর জন্য চেষ্টা করা হচ্ছে, ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে।

সাদা চামড়াওলারা এভাবে…কোট আনকোট আমি বলছি—‘সাদা চামড়াওয়ালারা আমাকে ক্ষমতা থেকে নামাতে চায়’।

ইউনূস আমার বিরুদ্ধে সরকার পতনের জন্য ষড়যন্ত্র করছে।

আমি সাগর পাড়ি দিয়েও ওদিকে যাবো না, বাঙালি যাবে না।

দেশবাসীকে কিন্তু উনি ওয়েল ইনফর্ম করেছেন।

দেখেন, আমি একটা কথা বলে রাখি—আমাদের যে দলীয় ব্যর্থতা বা দলীয় দুর্বলতার প্রশ্ন থাকতেই পারে আপনাদের কাছে।

কারণ পৃথিবীতে অনেক জায়গায় আছে ডিপেস্টেট—এ ধরনের কন্সপাইরেসি করেছে।

কোথাও কোথাও সফল হয়েছে, কোথাও কোথাও ব্যর্থ হয়েছে।

আমি আপনাকে বলছি—ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যেদিন এই তথাকথিত কোটাওয়ালারা অর্থাৎ মূলত শিবির দখল করে অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে, সেদিন ছাত্রলীগের প্রেসিডেন্ট-সেক্রেটারি নেত্রীকে ফোন করেছেন।

কোট আনকোট করে বললাম—আমি এবং আমি দায়িত্ব নিয়েই বললাম যেটা উনি বলেছেন।

৫০ হাজার লোক নিয়ে আমার গণভবন ঘেরাও করে রাখার ক্ষমতা ছিল না!

আমাদের জমায়েতের শক্তিতে ওরা হারিয়ে যেত।

উনি যদি আমাদেরকে শুধু চোখের ইশারা দিতেন—তাহলে ঢাকা শহরে আমরা পাঁচ থেকে ১০ লক্ষ লোকের জমায়েত করে ফেলতে পারতাম।

আমাদের যে বেজলাইনটা আছে-ফ্রম ঢাকা টু মাওয়া, শরীয়তপুর, মাদারীপুর, ফরিদপুর, গোপালগঞ্জ, বাগেরহাট এগুলো তো আমাদের বেজলাইন।

গাজীপুর শক্ত ঘাঁটি, গাজীপুরকে বলা হয় এনাদার গোপালগঞ্জ।

গাজীপুর থেকে এক লক্ষ লোক ঢুকে যেতে পারতো।

ঢাকার বুড়িগঙ্গার পার হলে পরে কেরাণীগঞ্জ।

ঢাকার অদূরেই নারায়ণগঞ্জ আমাদের শক্ত ঘাঁটি।

ঢাকা থেকে সিলেট যাওয়ার পথেই শক্ত ঘাঁটি নরসিংদী।

আমরা সব ফাঁক-ফোকরগুলো বন্ধ করে দিয়ে কিন্তু দখল নিতে পারতাম।

সেখানে কিন্তু আরেকটি সম্ভাবনা থাকতো।

সেটা ওদের হাতে অস্ত্রের খবর তো আমাদের প্রধানমন্ত্রীর কাছে, আমাদের নেত্রীর কাছে ছিল।

প্রশ্ন: কো-ল্যাটারেল ড্যামেজ অনেক বেশি হতে পারতো?

নো, আমি বলছি—আমার এই বয়সেও আমি ছাড়তাম না।

আরও খবর

ছাত্রদলের নতুন কমিটির অপেক্ষায় পদপ্রত্যাশীরা ছাত্রদলের নতুন কমিটির অপেক্ষায় পদপ্রত্যাশীরা জনগণের দোরগোড়ায় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী: ঢাকা-১৩ আসনে নতুন উদ্যোগ জনগণের দোরগোড়ায় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী: ঢাকা-১৩ আসনে নতুন উদ্যোগ ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক: শেখ হাসিনার প্রভাব ও কূটনৈতিক চ্যালেঞ্জের নতুন সমীকরণ ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক: শেখ হাসিনার প্রভাব ও কূটনৈতিক চ্যালেঞ্জের নতুন সমীকরণ অনলাইন জুয়ার বিষাক্ত থাবা: পাবনা শহরের বিকাশ ডিস্ট্রিবিউশন হাউসের ‘বেনামী’ সিমে পাচার কোটি কোটি টাকা অনলাইন জুয়ার বিষাক্ত থাবা: পাবনা শহরের বিকাশ ডিস্ট্রিবিউশন হাউসের ‘বেনামী’ সিমে পাচার কোটি কোটি টাকা পাবনা জেলা যুবদল সদস্য কেরামত আলীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ পাবনা জেলা যুবদল সদস্য কেরামত আলীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ এনসিপি নেতাদের বক্তব্যের প্রতিবাদে পাবনায় বিএনপির প্রতিবাদ সমাবেশ এনসিপি নেতাদের বক্তব্যের প্রতিবাদে পাবনায় বিএনপির প্রতিবাদ সমাবেশ পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিলেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিলেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পাবনা-০৩ আসনে জামায়াতের এমপি  পদপ্রার্থীর নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা পাবনা-০৩ আসনে জামায়াতের এমপি  পদপ্রার্থীর নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা আরিফপুরে মহিলা সমাবেশে নারীদের ভাগ্যবদলে কাজ করার অঙ্গীকার শিমুল বিশ্বাসের আরিফপুরে মহিলা সমাবেশে নারীদের ভাগ্যবদলে কাজ করার অঙ্গীকার শিমুল বিশ্বাসের

আপনার কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published.