• Sun. May 17th, 2026

দৈনিক পাবনার আলো, মাহফুজ আলী কাদেরী কর্তৃক সম্পাদিত

#pabnaralo#, pabna# pabnanews# পাবনারআলো# পাবনার_আলো#পাবনারখবর#পাবনারবার্তা

কোরবানির পশুর হাট কাপাতে প্রস্তুত চাটমোহরের বাহারাম বাদশা

ByFardin Zaman

May 16, 2026

সিরাজুল ইসলাম আপন, চাটমোহর-ভাঙ্গুড়া(পাবনা): আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে পাবনার চাটমোহরে কোরবানির পশুর বাজারে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে বিশাল আকৃতির গরু ‘বাহারাম বাদশা’। প্রায় ৪০ মণ ওজনের এই গরুটি দেখতে প্রতিদিনই বিভিন্ন এলাকা থেকে উৎসুক মানুষ ভিড় করছেন খামারে। বিশাল দেহ, আকর্ষণীয় গঠন ও পরিচ্ছন্ন পরিচর্যার কারণে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহলের সৃষ্টি হয়েছে। চাটমোহর উপজেলার মথুরাপুর ইউনিয়নের ছোট গুয়াখড়া গ্রামের খামারি মো. মিনারুল ইসলামের খামারে পালিত গরুটি ইতোমধ্যেই এলাকায় বেশ পরিচিতি পেয়েছে। খামারি মিনারুল ইসলাম মৃত আকুল প্রামানিকের ছেলে। দীর্ঘদিন ধরে গরু পালন ও খামার ব্যবস্থাপনার সঙ্গে জড়িত তিনি।

খামারি সূত্রে জানা যায়, প্রায় এক বছর আগে গরুটি ২ লাখ ৯০ হাজার টাকায় ক্রয় করা হয়। সে সময় গরুটির ওজন ছিল আনুমানিক ২২ থেকে ২৪ মণ। এরপর নিয়মিত পরিচর্যা, উন্নত খাদ্য এবং নিবিড় তত্ত্বাবধানে বর্তমানে গরুটির ওজন দাঁড়িয়েছে প্রায় ৪০ মণে। ৬ দাঁত বিশিষ্ট এই গরুটির বয়স বর্তমানে প্রায় ৩ বছর ৬ মাস। গরুটির নাম রাখা হয়েছে ‘বাহারাম বাদশা’। বিশাল আকার ও রাজকীয় গঠনের কারণেই এমন নামকরণ বলে জানিয়েছেন খামারি। প্রতিদিন গরুটির খাদ্য তালিকায় থাকে ভুট্টা, গমের ছাল, ভুসি, খড়, কাঁচা ঘাসসহ বিভিন্ন পুষ্টিকর খাবার। এছাড়া নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন পরিবেশে রাখা এবং স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো হয় গরুটির।

স্থানীয় বাসিন্দা জমশেদ আলী শেখ বলেন, আমাদের এলাকায় এমন বিশাল গরু পালন করা হয়েছে, এটি সত্যিই গর্বের বিষয়। গরুটির পরিচর্যাও অনেক ভালো।

স্থানীয় আরেক বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলে, প্রতিবছর ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে বড় আকৃতির গরুর প্রতি মানুষের আগ্রহ বাড়ে। তবে ‘বাহারাম বাদশা’ তার বিশাল আকার ও আকর্ষণীয় গঠনের কারণে ইতোমধ্যেই এলাকায় আলোচনার কেন্দ্রুবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।

গরুটি দেখতে আসা দর্শনার্থী আছাদ আলী বলেন, এত বড় গরু সচরাচর দেখা যায় না। ‘বাহারাম বাদশা’ কে সামনে থেকে দেখে খুব ভালো লাগছে। আমরা ছবি তুলেছি এবং পরিবারের সবাইকে দেখিয়েছি।

খামারি মো. মিনারুল ইসলাম জানান, “আমি ও আমার স্ত্রী এবং আরও চারজন কর্মচারী মিলে গরুটিকে অত্যন্ত যতেœর সঙ্গে লালন-পালন করেছি। কোনো ধরনের ক্ষতিকর ইনজেকশন বা ওষুধ ব্যবহার করা হয়নি। সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে গরুটিকে বড় করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, গরুটির পেছনে অনেক শ্রম ও খরচ হয়েছে। প্রতিদিনই মানুষ দেখতে আসছেন, ছবি তুলছেন। অনেকেই দাম জানতে চাচ্ছেন। আমরা গরুটির মূল্য ২৫ লাখ টাকা চেয়েছি। আশা করছি কোরবানির বাজারে ভালো দাম পাওয়া যাবে।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *