• Mon. Feb 9th, 2026

দৈনিক পাবনার আলো, মাহফুজ আলী কাদেরী কর্তৃক সম্পাদিত

#pabnaralo#, pabna# pabnanews# পাবনারআলো# পাবনার_আলো#পাবনারখবর#পাবনারবার্তা

কে বাঁচাবে মুখে অন্ন তুলে দেয়া কৃষকদের??

এক সময় স্লোগান শুনতাম,কৃষক বাঁচলে বাচবে দেশ! কিন্তু এখন তা ভিন্ন

মোঃ সিয়াম

বেঁচে থাকার জন্য আমরা যে কোনো খাদ্যই খাই না কেনো তা আসে বিধাতার দেওয়া ভূমিতে ঘাম ঝরানো কৃষকের পরিশ্রমের মাধ্যমে।

কিন্তু আমাদের দেশের কৃষকদের দেখা হয় তিক্ত চোখে কৃষকদের বলা হয় চাষা। ছোটবেলায় দেখেছি ভোরের দিকে ধানের চারা বস্তায় ভরে মাথায় নিয়ে এই কৃষকেরা গুনগুন করে গান গাইতে গাইতে চলে যেত বিলের মাঠে।

যেখানে নেই কোন গাছপালা, দুপুর হতে না হতেই সূর্যের তীব্র তাপদাহ কৃষকদের শরীরে পড়তো, শুধু তাই নয় প্রচন্ড রোদের কারণে জমিতে জমে থাকা পানি আগুনের মত গরম হতো,সেই আগুন পানির মধ্যেই চাষাবাদ করে ঠিক সন্ধ্যা বেলা হাসিমুখে বাড়ি ফিরত কৃষকেরা। তৃষ্ণার্ত গলা নিয়ে রোদে পুড়ে বৃষ্টিতে ভিজে দিনরাত হার ভাঙ্গা পরিশ্রম করে আমাদের মুখে অন্ন তুলে দেয় এই কৃষকেরা।
হুম তাদেরকেই বলা হয় আমাদের সমাজে চাষা। তারা আমাদের শিক্ষিত সমাজ থেকে বহুদূরে, তারা লিখতে পারে না পড়তে পারে না বোঝেনা বড় বড় ফাইলপত্র । এই সহজ সরল কৃষকদের অসহায়ত্বকে পুঁজি করে তাদের কষ্টাউপার্জিত টাকা নিয়ে কোটি টাকার সম্পদের পাহাড় বানায় কিছু শিক্ষিত সমাজ। উল্লেখ্য, পাবনা জেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ভূমি অফিসগুলোতে কৃষকদের চোখের পানি দেখা যায়। জানাযায় ইউনিয়ন ভূমিকর্মকর্তাদের টাকা ছাড়া তাদের কলম চলে না। বর্তমানে ভূমি অফিস পেপার লেস ও ক্যাশলেস, কিন্তু সারাদিন কাদা ও পানির মধ্যে থাকা পা ফাঁটা কৃষকরা কি সেটা বোঝে। সেই সুযোগটাই নিচ্ছে ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তারা। কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা যায় খাজনা-খাদিজের জন্য ইউনিয়ন ভূমি অফিসে গেলে ৩হাজার টাকা থেকে শুরু করে ৮০ হাজার তারও বেশি নিয়ে থাকেন গরিবের রক্তচোষা ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তারা। তবে কি তাই টাকা দিয়েও মেলেনা তাদের কাঙ্খিত সেবা, মাসের পর মাস ঘুরতে হয় ইউনিয়ন ভূমি অফিসের দরজায়। মুক্তি চাই কৃষকেরা, এইসব অসাধু সরকারি কর্মকর্তাদের বুনানো জাল থেকে। কৃষকদের মুক্ত করার মতো কেউ কি আছে?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *