বাংলাদেশের ভূখণ্ডের ১০৭২ মেইন পিলারের নিকট অবস্থান করছিলেন তিনি।
সেখানে চিকিৎসার নামে তাকে ১ মাস ৫ দিন রেখে দেয়।
তাকে কোনো প্রকার চিকিৎসা না দিয়েই ১ মাস ৫ দিন পরে শেরপুর জেলার ঢালু বর্ডার দিয়ে তাকে নামিয়ে দেওয়া হয়।
কিছু টের পাওয়ার আগেই ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ )তাকে তাক করে গুলি ছুড়ে।
আধা ঘণ্টা পর ভারতের সীমান্ত রক্ষী বাহিনী তার দেহটাকে টেনে হিচড়ে কাঁটা তারের বেড়ার নিকট নিয়ে যায়।
ওই ক্যাম্প থেকে তাকে পাঠানো হয় তুরায়।
সেদিনের ঘটনা বর্ণনা দিতে গিয়ে আব্দুল বারী বলেন, ২০০১ সালে ঐতিহাসিক বড়াই বাড়ি যুদ্ধের দেড় মাস পরেই এই ঘটনা।
ঘুম থেকে উঠার পর বাবা বলেন যাও ধান খেত দেখে আসো।
হঠাৎ বিএসএফ সদস্যরা সীমান্তের মেইন পিলারের দিকে, আমি যেখানে অবস্থান করছিলাম।
সঙ্গে সঙ্গে আমি মাটিতে লুটিয়ে পড়িএবং জ্ঞান হারিয়ে ফেলি।
আনুমানিক বেলা ছয়টার দিকে যখন আমার হুশ হয়।
তখন আমি দেখি কাঁটা তারের পাশে পড়ে আছি।
সেখানে জিজ্ঞাসাবাদ করে আমি কি করতে এসেছিলাম।
আমি আমার কথা বলার সঙ্গে সঙ্গে তারা বলে, মিথ্যা বলিস ক্যান।
আমাকে বাধ্য করে যে আমি কাঁটা তার কাটতে আসছিলাম।
সেখানে ১ মাস ৫ দিন থাকার পর আমাকে বাংলাদেশের অন্য বর্ডার দিয়ে পাঠিয়ে দেয়।
সেখান থেকে আমার আত্মীয়-স্বজন আমাকে উদ্ধার করে রংপুর মেডিকেলে ভর্তি করে।
রংপুর মেডিকেলে দেড় মাস চিকিৎসার পর আমাকে বাড়িতে নিয়ে আসে।
আমাকে একটি পঙ্গু ভাতা কার্ড দিলেও সেটি দিয়ে আমার সংসার চলে না।
প্রতি মাসে যে বেচাকেনা হয় তার থেকে ৮ হাজার টাকা কিস্তি দিতে হয়।
ইতিমধ্যে তিন তিনবার আমার দোকান ঘরটি চুরি হয়ে গিয়েছিল।
বর্তমানে সে কিস্তি টাকা দিবে না ছেলে মেয়ে নিয়ে জীবন জীবিকা নির্বাহ করবে এ নিয়ে চিন্তিত।
ফলে বারী উপজেলার সদর ইউনিয়নের বালিয়ামারী ব্যাপারী পাড়া গ্রামে ৫ সদস্যের পরিবার নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে।










আপনার কমেন্ট লিখুন