
পাবনা-৫ আসনে সংসদ সদস্য পদে বিজয়ী বিএনপি নেতা এ্যাডভোকেট শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের কুটিপাড়াস্থ বাসভবনে শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকেই ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ। ভোরের আলো ফোটার পর থেকেই বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী, আত্মীয়-স্বজন এবং শুভানুধ্যায়ীরা ফুলেল শুভেচ্ছা জানাতে ভিড় করেন তার বাড়িতে। নানা রঙের ফুলের তোড়া ও পাপড়িতে রঙিন হয়ে ওঠে পুরো চত্বর। অসংখ্য মানুষের ভালোবাসা ও শুভেচ্ছায় সিক্ত হয়ে নবনির্বাচিত এই সংসদ সদস্য সবার সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন, কৃতজ্ঞতা জানান এবং দেশ-জেলার উন্নয়নে সবার সহযোগিতা কামনা করেন।
শিমুল বিশ্বাস বলেন, এ বিজয় আমার একার নয়”
“এই বিজয় আমার ব্যক্তিগত নয়; এটি পাবনা-৫ আসনের সর্বস্তরের মানুষের বিজয়। যারা আমাকে ভালোবেসে, বিশ্বাস করে, দাঁড়ি পাল্লার বিরুদ্ধে ধানের শীষের পক্ষে ভোট দিয়ে জয়ী করেছেন—আমি তাদের প্রত্যেকের প্রতি চিরকৃতজ্ঞ।”
তিনি আরও বলেন,“নির্বাচনী প্রচারণার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সাধারণ মানুষ যে স্বতঃস্ফূর্ত সমর্থন দেখিয়েছেন, তা আমাকে গভীরভাবে অনুপ্রাণিত করেছে। আমি কথা দিচ্ছি, জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সততা, নিষ্ঠা ও সাহসিকতার সঙ্গে কাজ করব।”
উন্নয়ন ও ঐক্যের অঙ্গীকার করে, নবনির্বাচিত এমপি তার বক্তব্যে এলাকার অবকাঠামো উন্নয়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন, কৃষক-শ্রমিকের অধিকার রক্ষা এবং তরুণদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন,“আমাদের লক্ষ্য হবে একটি বৈষম্যহীন, উন্নত ও সমৃদ্ধ পাবনা গড়ে তোলা। রাজনৈতিক ভেদাভেদ ভুলে আমরা সবাই একসঙ্গে কাজ করব। যারা আমাকে ভোট দিয়েছেন এবং যারা দেননি—আমি সবার প্রতিনিধি।” তিনি বিশেষভাবে তরুণ সমাজকে গঠনমূলক রাজনীতি ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানান।
দোয়া ও সহযোগিতা কামনা, শুভেচ্ছা জানাতে আসা নেতাকর্মী ও সমর্থকদের উদ্দেশে শিমুল বিশ্বাস বলেন,
“আপনাদের ভালোবাসাই আমার সবচেয়ে বড় শক্তি। আমি যেন জনগণের আস্থা অটুট রাখতে পারি, সে জন্য সবার কাছে দোয়া ও সহযোগিতা চাই।”
দিনভর তার বাসভবনে ছিল মানুষের অবিরাম উপস্থিতি। ফুলেল শুভেচ্ছা, করমর্দন আর কৃতজ্ঞতার আবহে উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে পড়ে পুরো এলাকায়।
স্থানীয় নেতাকর্মীদের মতে, এই বিপুল জনসমাগমই প্রমাণ করে শিমুল বিশ্বাসের প্রতি মানুষের আস্থা ও ভালোবাসা কতটা গভীর।
পাবনা-৫ আসনে নতুন এই অধ্যায়ের সূচনায় জনগণের প্রত্যাশা এখন—নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নের মাধ্যমে উন্নয়ন ও সুশাসনের এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।
