
স্টাফ রিপোর্টার :
বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ইউনিয়নের পাবনা জেলা শাখার সেক্রেটারি, সংবাদপত্র মালিক গ্রুপের সদস্য ও সমাজসেবক মাহফুজ আলী কাদেরীকে ডিবি পুলিশের একটি টিম পুলিশ সুপারের সঙ্গে আলাপের কথা বলে পাবনা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে ডেকে নিয়ে কোনো মামলা বা আইনগত প্রক্রিয়া ছাড়াই পরিকল্পিতভাবে হয়রানিমূলক ও মিথ্যা মামলায় জড়ানোর ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সাংবাদিক সমাজ।

মাহফুজ আলী কাদেরী পাবনা আইনজীবী সমিতির পাঁচবার নির্বাচিত সভাপতি, বর্ষীয়ান আইনজীবী ও সমাজসেবক আলহাজ্ব অ্যাডভোকেট জহির আলী কাদেরীর বয়োজ্যেষ্ঠ পুত্র।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী সাংবাদিক সিয়াম জানান,সৌজন্য সাক্ষাৎ ও আলাপের কথা বলে মাহফুজ আলী কাদেরীকে পুলিশ সুপার কার্যালয়ে ডেকে নেওয়া হলেও পরে তাকে আইনবহির্ভূতভাবে আটক করা হয় এবং একটি মামলায় আসামি হিসেবে জড়ানো হয়।
তিনি বলেন, আমি নিজে উপস্থিত থেকে দেখেছি—পুরো প্রক্রিয়াটি ছিল সম্পূর্ণ অবৈধ, পরিকল্পিত এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়রানি।
সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, এই ঘটনা বাংলাদেশের সংবিধানের ৩১ ও ৩৩ অনুচ্ছেদে প্রদত্ত নাগরিকের জীবন, ব্যক্তিস্বাধীনতা ও আইনি সুরক্ষার অধিকারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। এটি শুধু একজন সাংবাদিক নেতার প্রতি হয়রানি নয়; বরং স্বাধীন সাংবাদিকতা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং সাধারণ নাগরিকের নিরাপত্তার ওপর সরাসরি হুমকি।
এদিকে মাহফুজ আলী কাদেরীকে রাজনৈতিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার একটি সুস্পষ্ট অপচেষ্টাও সামনে এসেছে। কিছু কুচক্রী মহল নিজেদের স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে তাকে আওয়ামী লীগের সঙ্গে জড়িয়ে

আওয়ামী লীগ বানানোর অপচেষ্টা চালাচ্ছে। এ লক্ষ্যে একটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও মনগড়া প্রেস বিজ্ঞপ্তি প্রচার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
তবে অনুসন্ধানে এমন কোনো তথ্য বা প্রমাণ পাওয়া যায়নি, যা থেকে প্রমাণিত হয় যে মাহফুজ আলী কাদেরী কখনো আওয়ামী লীগের দোসর, সমর্থক বা সংশ্লিষ্ট ছিলেন। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এটি একটি পরিকল্পিত বিভ্রান্তিমূলক প্রচারণা, যার মাধ্যমে তাকে সামাজিক ও পেশাগতভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করার অপচেষ্টা চলছে।

দৈনিক খবর বাংলা-র সম্পাদক ডাঃ আব্দুস সালাম বলেন, এ ধরনের মিথ্যা মামলা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও প্রশাসনের ওপর জনগণের আস্থা ক্ষুণ্ন করছে এবং গণমাধ্যমকর্মীদের মধ্যে ভয় ও আতঙ্কের পরিবেশ সৃষ্টি করছে। তিনি সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান, অবিলম্বে নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্তের মাধ্যমে মিথ্যা মামলার কার্যক্রম স্থগিত করে প্রকৃত সত্য উদঘাটন করার।
ঘটনাটি নিয়ে সাংবাদিক মহল গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এবং এ ধরনের হয়রানিমূলক কর্মকাণ্ড অবিলম্বে বন্ধের জোর দাবি জানিয়েছে।
